ঘরের পাতা
পরিবার ও স্মৃতি
আশীর্বাদ, সন্তান, ঘরের মানুষ এবং সময়ের সঙ্গে থেকে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি।১২টি লেখাএই বইয়ের পাতাগুলি
বাবুর জন্মদিনে অন্তরঙ্গ আশীর্বাদবাবুর জন্মদিনে অন্তরঙ্গ আশীর্বাদ (বাবা ও মা ) ঈশ্বরের আশীর্বাদের আলো পড়ুক তোর পথেপাতাটি খুলুন→বিবাহ বার্ষিকী 2025॥ বিবাহ বার্ষিকী 2025 ॥ ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) মনে পড়ে, আজ ২৭শে ফেব্রুয়ারিপাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি পর্ব ৪-:- আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি -:- (পর্ব - ৪ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) আর একটা ছোট উপনিষদের গল্প আমি মায়ের মুখে শুনেছিলাম আমার ৭-৮ বৎসর বয়েসে যেটা আমার মনে গভীর দাগ কেটেছিল এবং আমার এখনও মনে আছে। আরও অনেক ছোট ছোট গল্প মা বলতো যেগুলোর মধ্যে একটা করে নীতি বা উপদেশ থাকতো । সে সব অনেকই আর মনে নেই ।পাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি পর্ব ৩-:- আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি -:- ( পর্ব - ৩ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ছোটবেলায় আমি যখন প্রাইমারী লেভেলে পড়তাম তখন মা আমাকে শ্রুতি লিখন practice করাতো অর্থাৎ মা আমাকে বই থেকে এক একটা বাক্য ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলতো আর আমাকে শুনে শুনে তা স্লেটে পেনসিল দিয়ে লিখতে হতো । এতে করে শব্দের বানন শুদ্ধতা ও মনযোগের পরীক্ষা নিতো মা । মা রামায়নের কাহিনী গুলো ছোট ছোট গল্পের আকারে শোনাতো, মহাভারতের কাহিনী থেকে এমন কি উপনিষদের কিছু কিছু ঘটনা গল্পের আকারে শুনাতো । তেমন কিছু কিছু ঘটনা বা গল্প আমার এখনও মনে আছে, যেগুলো আমার মনে ভীষণ দাগ কেটেছিলো ।পাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভূতি পর্ব ২-: আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভূতি :- ( পর্ব-২ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) আমাদের সামন্ত বংশের কুল-গুরু , উনি কলকাতায় থাকতেন । প্রতি বৎসর একবার আমাদের গ্রামে আসতেন সমস্ত শিষ্য-বাড়ী পরিদর্শন করতে। তিঁনি থাকতেন আমাদের বাড়িতে। এক এক দিন এক -এক জন শিষ্যের আতিথেয়তা গ্রহণ করিয়া ২০-২৫ দিন পরে আপন গৃহে অর্থাৎ কলিকাতায় ফিরে যেতেন । সকালের প্রাতকৃত্য ও নদীতে স্নান রাত্রির খাবার এবং শয়ন আমাদের ঘরেই হোত । আমি যখন গুরুদেবকে প্রথম দেখি তখন মনে হয় আমার বয়স পাঁচ-ছয় বৎসর হবে । আমার ঠাকুরমা , বাবা-মা সকলেই ওনার কাছে দীক্ষিত, আমাদের বংশের কুল-গুরু হিসাবে ।পাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর-অনুভুতি-: আমার জীবনে ঈশ্বর-অনুভুতি :- ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) ঈশ্বর আছে কি নেই এ নিয়ে প্রাচীন কাল থেকেই একটা সমালোচনা এবং তা নিয়ে প্রচুর লেখালেখিও হয়েছে বেদ, উপনিষদ, পূরাণ, গীতা ইত্যাদি ইত্যাদি, তথাপি মানুষের মন থেকে সংশয় দূরিভূত হোল না । আমরা সাধারণ মানুষেরা বেদ বা উপনিষদের উপর আলোকপাত না করে, বিশ্বাস করে নিই ঈশ্বর আছেন এবং কিছু ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করেই ঈশ্বরের পূজা-অর্চনা করি । সুতরাং ঈশ্বরের অস্তিত্বকে আমরা দুই ভাবে গ্রহণ করতে পারি, এক সম্পুর্ণ বিশ্বাসের দ্বারা, দুই অনুভব বা অনুভূতির দ্বারা । এ ছাড়াও কিছু লোক আছেন যারা কোন কারণেই ঈশ্বর বিশ্বাস করেনা - তারা নাস্তিক । আমার জীবনে আমি কিভাবে ঈশ্বরকে অনুভব করতে শিখেছি, তার জন্যই আমার এই লেখা শুরু করছি ।পাতাটি খুলুন→
ভালোবাসার উল্টো পুরাণস্বরচিত কবিতা - -: ভালোবাসার উল্টো পুরাণ :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) মায়ের কোলে ভালোবাসার আদর খেতে খেতেপাতাটি খুলুন→শুভ জন্মদিন — SaikatHappy Birthday / শুভ জন্মদিন 🥀💕💕💕🥀🎂 সাংসারিক জীবনে ভালোবাসার প্রকাশ একেকজনের একেকরকম সে কাছে থেকে বা দূরে থেকে হোক । সেই ভালোবাসার ধরণটা বুঝতে বুঝতেই আমাদের বার্ধক্য চলে আসে , কারো কারো শেষ সময় চলে আসে তথাপি সেই ভালোবাসার ধরণটা অজানাই থেকে যায় । অর্থাৎ একে অপরকে বোঝাটাই সম্পুর্ণ হয়ে ওঠে না । দূর থেকে তাই Birthday celebration এর ব্যাপারটাও সেই রকম । তাই মনের রঙে রং মিলিয়ে আমাদের ছেলেকে জানাই " Happy Birthday to Saikat " শুভ জন্ম দিন শুভ জন্মদিন শুভ জন্মদিন ……………❤️❤️❤️পাতাটি খুলুন→শুভ জন্মদিন — ছেলের জন্যশুভ জন্মদিন (Happy Birthday) দূরের আভাস যখন আসে মনের আঙিনায়পাতাটি খুলুন→Happy Fathers Day“ HAPPY FATHERS DAY “ “ পিতা স্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতা হি পরমং তপঃ । পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে স্বর্বদেবতাঃ ॥ “পাতাটি খুলুন→Happy Mothers’ Day” Happy Mothers' Day ” মাতা ধরিত্রীর সৌন্দর্যের যে প্রকাশ তা দেখানোর জন্য যিনি সন্তানের জন্ম দেওয়ার আগে থেকেই যন্ত্রনা অনুভব করেন ও ভোগ করেন তিনই হচ্ছেন 'মা'পাতাটি খুলুন→আমি তো দূরে নেইআমার Service Life এ আমি তখন বিয়ে করেছি Feb 89 এ | সদ্য বিবাহিতা বউ কে Bengal এ রেখে এসে Delhi তে বিবাহিত জীবনের বিরহ রস উপোভোগ করছি | তারই ফসল স্বরুপ 12 th Apr 89 এ লেখা একটা কবিতা :- -: আমি তো দূরে নেই :- আমি তো আছিপাতাটি খুলুন→