বিশ্বাসের ঘর
সাধনা ও দর্শন
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীশ্রীমা, বেদান্ত, আত্মজ্ঞান এবং মানুষের দুঃখ নিয়ে পাঠ ও ভাবনা।৫৭টি লেখাএই বইয়ের পাতাগুলি
॥ রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দের মতে Cosmopolitanism অর্থাৎ 'বিশ্বনাগরিকতা' বা 'বিশ্বজনীনতা' ॥॥ রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দের মতে Cosmopolitanism অর্থাৎ 'বিশ্বনাগরিকতা' বা 'বিশ্বজনীনতা' ॥ ( শ্যমাল সামন্ত ) Cosmopolitanism এর অর্থ এমন এক চিন্তাধারা- যেখানে সব মানুষই এক বৃহৎ মানবসমাজের অংশ, যেখানে জাতি, ধর্ম, ভাষা বা দেশভেদে তাদের মধ্যে কোন মৌলিক বিভেদ থাকা উচিত নয় । রবীন্দ্রনাথের চিন্তায় এক ধরনের নাগরিকতা দেখা যায় , যেখানে আমাদের দেশভূমি - সেটাই আমাদের মানবভূমি । একজন Cosmopolitan ব্যক্তি মানেই- তিনি সংকীর্ণ জাতিয়তা বা ধর্মীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে মানবতাকেই বড় করে দেখেন। জাতিয়তা যদি মানুষকে বিভাজিত করে তবে তা অভিশাপ। রবীন্দ্রনাথ তার জাতীয়তাবাদ প্রবন্ধে লিখেছেন " জাতীয়তা এক ধরনের সংগঠিত স্বার্থপরতা "। তার মতে, কেবল নিজের জাতি বা দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে যদি মানুষ অন্য জাতির ক্ষতি করে, তবে সেটা মানবতার বিরোধী । "সাধনা" প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন- " মানুষের আত্মা অসীম, সে কেবল নিজের জন্য বাঁচে না, সবার জন্য বাঁচে ।" তিনি বিশ্বাস করতেন, সত্যিকারের সাধনা হোল নিজেকে বৃহত্তর মানবসমাজের সাথে যুক্ত করা ।পাতাটি খুলুন→জন্মদিন॥ স্বরচিত কবিতা ॥ -:- জন্মদিন -:- ( কলমে - শ্যমাল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→আজ ষষ্ঠী - মা এর বোধন॥ আজ ষষ্ঠী - মা এর বোধন ॥ (শ্যামল সামন্ত ) সেই ছোটবেলা থেকে মহালয়ার পরদিন থেকেই শুনতে পাই ষষ্ঠীর দিন মা এর বোধন । মা কে জিজ্ঞেস করতাম 'মা বোধন কি' ? মা বলতেন ঐ পুজো শুরু করাকেই বোধন বলে , আরও কতকিছু বলে বোঝাতো, কিছু বুঝতাম কিছু বুঝতাম না । আজ বড়ো হয়ে বুঝলাম বোধন শব্দের মানে কত ব্যপাক কত গভীর ।পাতাটি খুলুন→মানবজীবনে বেদান্ত দর্শনের প্রভাব এবং শারিরীক দুঃখ-কষ্ট নিবারণের উপায়॥ মানবজীবনে বেদান্ত দর্শনের প্রভাব এবং শারিরীক দুঃখ-কষ্ট নিবারণের উপায় ॥ ( শ্যমল সামন্ত ) জীবনের যে কোন অবস্থায় সমস্ত চা ওয়া-পাওয়া পরিত্যাগ করে ঈশ্বরের ভজনা করাই যেন আমাদের লক্ষ্য হয়ে ওঠে । বাড়ী, গাড়ি, অর্থ, মানুষের আসা-যাওয়া- সবই আছে, কিন্তু সেগুলো যদি আমি আঁকড়ে ধরি, তবে সংসারকেই আঁকড়ে ধরা হলো । তখন এই সমস্ত কিছু থেকে সৃষ্ট ফলাফল আমাকে সুখ বা দুঃখ দেবে, আমার মনে নানা ধরনের চাহিদা তৈরি করবে এবং ক্রমশই আমার মন ঈশ্বরের আরাধনা থেকে দূরে সরতে থাকবে । ঈশ্বরকে দু হাতে আঁকড়ে ধরলে , এই জগৎসংসারের কষ্ট আর আমাদের বিচলিত করে না । বেদান্তের পঞ্চদশীতে উল্লেখ আছে- ঈশ্বরসৃষ্টি আমাদের কষ্ট দেয় না, জীব সৃষ্টি আমাদের কষ্ট দেয় ।পাতাটি খুলুন→অদ্বৈতবাদের প্রচারকালে আচার্য শঙ্কর ও মণ্ডন মিশ্রের বিতর্কিত প্রতিযোগিতার বিষয়ে একটি অসাধারণ গল্পঅদ্বৈতবাদের প্রচারকালে আচার্য শঙ্কর ও মণ্ডন মিশ্রের বিতর্কিত প্রতিযোগিতার বিষয়ে একটি অসাধারণ গল্প ॥ ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( ঘটনাটি ছোটবেলায় আমার মা এরপাতাটি খুলুন→অদ্বৈতবাদ ও তার সীমাবদ্ধতা॥ অদ্বৈতবাদ ও তার সীমাবদ্ধতা ॥ (লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) অদ্বৈতবাদ (Advaita Vedanta) হলো ভারতীয় দর্শনের এক উচ্চতর ধারার চিন্তাধারা, যার মূল ভিত্তি “ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা, জীব ব্রহ্ম ঐক্য” এই বিখ্যাত উক্তির মধ্যে নিহিত। এই দর্শনের প্রধান প্রচারক ছিলেন শঙ্করাচার্য। অদ্বৈতবাদ মতে, এই জগত ও সকল বৈচিত্র্য একমাত্র এক সত্য সত্তারই প্রকাশ, যাকে ব্রহ্ম বলা হয়। ব্যক্তি সত্তা (জীব) ও পরম সত্তা (ব্রহ্ম) মূলত এক – এই অদ্বৈত চিন্তা জীবকে মোক্ষের পথে নিয়ে যায়।পাতাটি খুলুন→Love is the silent chanting of all scripturesWhen the life is without any tension and when the mind is free enough to express The Love . Love is the main Capital of Worldly life and Divine life . Try to realise that Love is a never-ending phenomenon of the Universe. Love is the silent chanting of all scriptures.পাতাটি খুলুন→খেয়া-ঘাটের অপেক্ষা॥ স্বরচিত কবিতা ॥ -:- খেয়া-ঘাটের অপেক্ষা -:- ( লেখায় - শ্যমল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→জন্মান্তরের স্মৃতি রহস্য॥ স্বরচিত কবিতা॥ -:- জন্মান্তরের স্মৃতি রহস্য -:- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→শিব মহিমা॥ স্বরচিত কবিতা ॥ -:- শিব মহিমা -:- ( লেখায় - শ্যমাল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→আধ্যাত্মিকতার অঙ্গন॥স্বরচিত কবিতা॥ ( লেখায় - শ্যমাল সামন্ত ) ( আধ্যাত্মিকতার অঙ্গন )পাতাটি খুলুন→আমাদের চলমান জীবনের কিছু অতি বিস্মৃত ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা॥ আমাদের চলমান জীবনের কিছু অতি বিস্মৃত ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ॥ ( লেখায় - শ্যমাল সামন্ত ) আমরা সমস্ত মানুষই নিজের জীবনের অনেক বর্তমান পরিস্থিতি ভবিষ্যতের স্রোতের মধ্য দিয়ে অতিক্রম না করলে কোন মতেই বিশ্বাস করি না । ভবিষ্যত জীবনে গিয়ে যখন বাস্তবতা টা প্রত্যক্ষ করি তখন যে অনুশোচনার আগুনে দগ্ধ হতে হয় সেটা অনেক বেশি অসহনীয় । তাই প্রত্যেক মানুষেরই শুরু হতে অর্থাৎ ছাত্র জীবন থেকেই যথাযথ আত্ম সমীক্ষা করে decision নেওয়ার শিক্ষা লাভ করা উচিত । ভবিষ্যতে সুস্থ ও সুন্দর শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করার জন্য relationship এর ব্যাপারে কিছু কিছু সত্য আগে থেকেই জেনে রাখা ভালো lপাতাটি খুলুন→সাধন পথে অগ্রসর হওয়ার আত্মসমীক্ষা॥সাধন পথে অগ্রসর হওয়ার আত্মসমীক্ষা॥ ( লেখায় - শ্যমাল সামন্ত ) আমরা অনেকেই যারা সাধারণ মানুষ ধর্মের তাগিদে কেউ গুরু প্রদত্ত মন্ত্র জপ করি, কেউ ধ্যান করি, কেউ পূজা অর্চনাদি করি । আমরা কেউ শাক্ত, কেউ বৈষ্ণব, কেউ বৌদ্ধ , কেউ জৈন, কেউ খ্রিস্টান ইত্যাদি ইত্যদি । অর্থাৎ আমরা সকলেই কোন না কোন পদ্ধতিতে বা পথে নিজ নিজ ধর্মকর্ম করি । এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কি ভাবে বুঝবো যে আমরা কে কতটা নিজ নিজ ধর্ম পথে অগ্রসর হচ্ছি বা হয়েছি ।পাতাটি খুলুন→অমরত্ব॥ স্বরচিত কবিতা ॥ -:- অমরত্ব -:- ( লেখায় - শ্যমাল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→ব্রহ্ম কি॥স্বরচিত কবিতা ॥ “ ব্রহ্ম কি ? “ ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→শুভ বিজয়াশুভ বিজয়া - আসছে বছর আবার আসবে কালের গতিতে নিয়ম নেই যে স্থির থাকার তাই মা এর হোল সময় যাবারপাতাটি খুলুন→মা'য়ের আগমন-:মা'য়ের আগমন :- আজ মহালয়ার পুণ্য লগ্নে মা আসছেন আমাদের ঘরেপাতাটি খুলুন→বাস্তবিক জীবনে ধর্মবাস্তবিক জীবনে ধর্ম বড়ই নিরুপায়, কারণ বেশীরভাগ মানুষই ধর্মকে নিয়ে হয় ব্যবসা করে , নয় রাজনীতি করে । এই সভ্য জগতে ধর্ম এখন মোক্ষ লাভের উপায় নয়, কেবলমাত্র বিভেদ সৃষ্টির হাতিয়ার অথবা জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান প্রকাশের আড়ম্বরপাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি পর্ব ৪-:- আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি -:- (পর্ব - ৪ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) আর একটা ছোট উপনিষদের গল্প আমি মায়ের মুখে শুনেছিলাম আমার ৭-৮ বৎসর বয়েসে যেটা আমার মনে গভীর দাগ কেটেছিল এবং আমার এখনও মনে আছে। আরও অনেক ছোট ছোট গল্প মা বলতো যেগুলোর মধ্যে একটা করে নীতি বা উপদেশ থাকতো । সে সব অনেকই আর মনে নেই ।পাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি পর্ব ৩-:- আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভুতি -:- ( পর্ব - ৩ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ছোটবেলায় আমি যখন প্রাইমারী লেভেলে পড়তাম তখন মা আমাকে শ্রুতি লিখন practice করাতো অর্থাৎ মা আমাকে বই থেকে এক একটা বাক্য ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলতো আর আমাকে শুনে শুনে তা স্লেটে পেনসিল দিয়ে লিখতে হতো । এতে করে শব্দের বানন শুদ্ধতা ও মনযোগের পরীক্ষা নিতো মা । মা রামায়নের কাহিনী গুলো ছোট ছোট গল্পের আকারে শোনাতো, মহাভারতের কাহিনী থেকে এমন কি উপনিষদের কিছু কিছু ঘটনা গল্পের আকারে শুনাতো । তেমন কিছু কিছু ঘটনা বা গল্প আমার এখনও মনে আছে, যেগুলো আমার মনে ভীষণ দাগ কেটেছিলো ।পাতাটি খুলুন→অচিন পাখী॥ স্বরচিত কবিতা ॥ " অচিন পাখী " ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) আমরা যত বড় হতে থাকিপাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভূতি পর্ব ২-: আমার জীবনে ঈশ্বর অনুভূতি :- ( পর্ব-২ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) আমাদের সামন্ত বংশের কুল-গুরু , উনি কলকাতায় থাকতেন । প্রতি বৎসর একবার আমাদের গ্রামে আসতেন সমস্ত শিষ্য-বাড়ী পরিদর্শন করতে। তিঁনি থাকতেন আমাদের বাড়িতে। এক এক দিন এক -এক জন শিষ্যের আতিথেয়তা গ্রহণ করিয়া ২০-২৫ দিন পরে আপন গৃহে অর্থাৎ কলিকাতায় ফিরে যেতেন । সকালের প্রাতকৃত্য ও নদীতে স্নান রাত্রির খাবার এবং শয়ন আমাদের ঘরেই হোত । আমি যখন গুরুদেবকে প্রথম দেখি তখন মনে হয় আমার বয়স পাঁচ-ছয় বৎসর হবে । আমার ঠাকুরমা , বাবা-মা সকলেই ওনার কাছে দীক্ষিত, আমাদের বংশের কুল-গুরু হিসাবে ।পাতাটি খুলুন→আমার জীবনে ঈশ্বর-অনুভুতি-: আমার জীবনে ঈশ্বর-অনুভুতি :- ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) ঈশ্বর আছে কি নেই এ নিয়ে প্রাচীন কাল থেকেই একটা সমালোচনা এবং তা নিয়ে প্রচুর লেখালেখিও হয়েছে বেদ, উপনিষদ, পূরাণ, গীতা ইত্যাদি ইত্যাদি, তথাপি মানুষের মন থেকে সংশয় দূরিভূত হোল না । আমরা সাধারণ মানুষেরা বেদ বা উপনিষদের উপর আলোকপাত না করে, বিশ্বাস করে নিই ঈশ্বর আছেন এবং কিছু ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করেই ঈশ্বরের পূজা-অর্চনা করি । সুতরাং ঈশ্বরের অস্তিত্বকে আমরা দুই ভাবে গ্রহণ করতে পারি, এক সম্পুর্ণ বিশ্বাসের দ্বারা, দুই অনুভব বা অনুভূতির দ্বারা । এ ছাড়াও কিছু লোক আছেন যারা কোন কারণেই ঈশ্বর বিশ্বাস করেনা - তারা নাস্তিক । আমার জীবনে আমি কিভাবে ঈশ্বরকে অনুভব করতে শিখেছি, তার জন্যই আমার এই লেখা শুরু করছি ।পাতাটি খুলুন→জীবনের এপার ওপার-: স্বরচিত কবিতা :- “ জীবনের এপার ওপার ” ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) ব্রহ্মময়ী 'মা'এর অব্যাক্ত অনন্ত জঠর হতেপাতাটি খুলুন→তোমরা বলতে পারো-: স্বরচিত কবিতা :- " তোমরা বলতে পারো ?" ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) সংসারের সমস্ত কাজই যদি ঈশ্বরের কাজ হয়পাতাটি খুলুন→মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি-: স্বরচিত কবিতা :- “মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি” ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) শূন্যের ভিতর ব্রহ্মাণ্ডপাতাটি খুলুন→বিজয়া দশমী স্মরণেবিজয়া দশমী স্মরণে ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) মা এর চিন্ময়ী রুপকে মৃন্ময়ী রুপে সজ্জিত করে মহালয়ার পর থেকে ১০টি দিন অনাবিল ও অনলস, সরল ও স্বাভাবিক আনন্দে অতিবাহিত করার পর মা কে বিদায় জানাতেই হয় তার শক্তি রুপে এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অব্যক্ত অবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য। জানি মা সর্বত্র আছেন, তবুও মা কে বিদায় জানাতে হয় সজল নয়নে, আসছে বছর আবার হবে, বলো দুর্গা মাই কি এই কথা বলে।পাতাটি খুলুন→মহালয়াতে মায়ের আবাহনস্বরচিত কবিতা :- -: মহালয়াতে মায়ের আবাহন :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) মহালয়ার দিনে মা যাত্রা শুরু করেনপাতাটি খুলুন→পূজা সম্পর্কে আমার একান্ত ও নিজস্ব অনুভুতি-: পূজা সম্পর্কে আমার একান্ত ও নিজস্ব অনুভুতি :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্ব -৩ অন্তিম পর্ব )পাতাটি খুলুন→
The unity of onenessLife is how we accept the life . It is our own choice and somehow it is our destiny also . Love everything, love everyone. Love only for love’s sake. Then it is only the purest Love, the essence of Love . Wish you all the Unity of Oneness.পাতাটি খুলুন→পূজা সম্পর্কে আমার একান্ত ও নিজস্ব অনুভুতি-: পূজা সম্পর্কে আমার একান্ত ও নিজস্ব অনুভুতি :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্ব -২ )পাতাটি খুলুন→পূজা সম্পর্কে আমার একান্ত ও নিজস্ব উপলব্ধি-: পূজা সম্পর্কে আমার একান্ত ও নিজস্ব উপলব্ধি :- (ধারাবাহিক ) (লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্ব - ১ )পাতাটি খুলুন→আমরা কেউ ধার্মিক হতে পারলাম নাস্বরচিত কবিতা - -: আমরা কেউ ধার্মিক হতে পারলাম না :- ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) আমরা বর্তমান বিজ্ঞান-যুগেরপাতাটি খুলুন→মানবের জীবন সত্যস্বরচিত কবিতা :- -:- মানবের জীবন সত্য -:- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) আমি মানব, জগতের শ্রেষ্ঠ জীবপাতাটি খুলুন→ভালোবাসাকে খুঁজতে খুঁজতে-: ভালোবাসাকে খুঁজতে খুঁজতে :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) গানে শোনাপাতাটি খুলুন→যাকে ভালোবেসে ঈশ্বর ভেবেছি-: স্বরচিত কবিতা :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) যাকে ভালোবেসে ঈশ্বর ভেবেছিপাতাটি খুলুন→উপনিষদ — ব্রহ্মবিদ্যার আধার পর্ব ২-: উপনিষদ - ব্রহ্মবিদ্যার আধার :- (ধারাবাহিক) (“পর্ব -২) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) আমরা সবাই জানি যে বেদের অপর নাম শ্রুতি । কারণ সেই সময় লেখার কোন পদ্ধতির প্রচলন না থাকায় গুরুমুখে শ্রবণ করেই বেদ মুখস্ত করতে হোত বা বেদ অধ্যয়ন করতে হোত । আর এই কারণেই বেদের অপর নাম ছিল শ্রুতি । গুরু গৃহে এক একটি বেদ অধ্যয়ন করার জন্য বারো (১২) বৎসর নির্ধারিত থাকতো । অর্থাৎ ৪ (চার) টি বেদের জন্য গুরু গৃহে (৪x১২=৪৮) আটচল্লিশ বৎসর বেদ অধ্যয়ন ও ব্রহ্মচর্য পালন করতে হোত । ক্রমশ এই সময অধিক হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী তিনটি বেদ (৩x১২=৩৬) ৩৬ বৎসর অধ্যয়ন করে পড়া শেষ করতো । আবার কেউ কেউ ৪টি বেদই এক একটি ৬ বৎসর করিয়া (৪x৬) ২৪ বৎসরে অধ্যয়ন শেষ করতো । পরবর্তী কালে প্রতিটি বেদ ৩ বৎসর করিয়া ৪ টি বেদ (৩x৪) ১২ বৎসরে বেদ অধ্যয়ন ও ব্রহ্মচর্য শেষ করার রীতিও ছিল । বেদ অধ্যয়ন সমাপ্তির পর গুরুর অনুমতি নিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হোত । সমাবর্তন এর অর্থ হোল গুরু গৃহ হতে অধ্যয়ন শেষে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন । যেহেতু তখন বেদের বিষয় বস্তু লিপিবদ্ধ করার কোন প্রক্রিয়া ছিল না, বেদের অধিকাংশই লুপ্তপ্রায় ।পাতাটি খুলুন→উপনিষদ — ব্রহ্মবিদ্যার আধার পর্ব ১- : উপনিষদ - ব্রহ্মবিদ্যার আধার :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ছোট বেলায় আমরা পড়েছি ১ এ চন্দ্র, ২ এ পক্ষ, ৩ এ নেত্র, ৪ এ চতুর্বেদ ইত্যাদি ইত্যাদি । সবকিছুই শিখেছি মুখস্ত করে কিন্তু বিচার করতে শিখি নাই । তাই আমরা ডিগ্রী পাইয়াছি কিন্তু জ্ঞান অর্জ্জন কিছুই হয় নাই । ছোটবেলায় পূজা অর্চনার সময় দাদু ঠাকুরমার ও অন্যান্য গুরুজনদের বলতে শুনিয়াছি - এসব শাস্ত্রের কথা একটু বাচ-বিচার করতে শেখ , একটু মানতে শেখ । শাস্ত্র বলতে আমরা তখন রামায়ন, মহাভারত ও গীতার কথা শুনিয়াছি । ৪ এ চতুর্বেদ , ঋক, সাম, যজু ও অথর্ব শুধুমাত্র পড়িয়াছি কিন্তু বেদ কখনও চোখে দেখি নাই । কোনও লাইব্রেরি বা কোনও বন্ধু বান্ধবের বাড়ীতেও আছে কিনা কাউকে বলতে শুনি নাই । অর্থাৎ বেদ সম্পর্কিত প্রামান্য গ্রন্থের অভাব। এই কারণে ইচ্ছা থাকলেও আমরা বেদ বা উপনিষদ সন্মন্ধে কিছু জানতে পারিনা ।পাতাটি খুলুন→প্রেমের কবিতা-: প্রেমের কবিতা :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ঈশ্বর যে আছেনপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা অন্তিম পর্ব-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( অন্তিম পর্ব ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্যায় - প্রেম )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১৫-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (পর্ব - ১৫ ) (লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্যায় - প্রেম )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১৪-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক)। (পর্ব - ১৪ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) এর আগের ৩টি পর্বে আমি পূজা পর্যায়ের ৩টি গান নিয়ে আলোচনা করেছি । রবীন্দ্রনাথের পূজা পর্যায়ের গান নিয়ে আলোচনা করা বা তার মধ্য থেকে আধ্যাত্মিক তত্ত্বের রস নিষ্কাষণ করে কাউকে বোঝান আমার উদ্দেশ্য নয় । যে যেরকম মনোভাবাপন্ন সে সেই ভাবেই এক একটি গানকে অনুভব করবে এবং বুঝবে । এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু যাহারা রবীন্দ্র কাব্য বা সাহিত্যের যথার্থ অনুরাগী এবং আধ্যাত্মিক মনোভাবাপন্ন, তাহাদের কাছে প্রতিটি পূজা পর্যায়ের গানই এক একটি পূজার অর্ঘ্য স্বরুপ যা তাহারা শোনা মাত্রই পরমেশ্বরের কাছে নিবেদন করে থাকে এবং ভক্তি রসের মধ্যে ডুবে যায় ।পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১৩-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক ) (পর্ব - ১৩) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) পূজা পর্যায় - (গান সংখ্যা -৩ )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১২-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক ) ( পর্ব - ১২ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) পূজা পর্যায় - (গান সংখ্যা - ২ )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১১-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক) ( পর্ব - ১১ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) এবার আমরা কয়েকটা পূজা পর্যায়ের গান নিয়ে আলোচনা করে বুঝবার চেষ্টা করবো কিভাবে এই গান গুলি আমাদের আধ্যাত্মিক পথের সিঁড়ি হিসাবে কাজ করে :-পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১০-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবহিক) ( পর্ব - ১০ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) এতোদিন আমরা রবীন্দ্রনাথের কিছু কবিতা নিয়ে আলোচনা করেছি | আমি পাঠকগনকে বুঝাবার চেষ্টা করেছি, যে রবীন্দ্রনাথের কবিতার মধ্যে কিভাবে একটা আধ্যাত্মিকতার বীজ লুকানো আছে, সেটা প্রত্যক্ষ ভাবেই হোক বা পরোক্ষ ভাবেই হোক | কোন ও কবিতা পড়ে যদি আমরা চিন্তার গভীরে প্রবেশ না করতে পারি তবে সেই আধ্যাত্মিক দার্শনিকতার গন্ধ অনুভব করতে পারবো না | এটা যে যেমন পাঠক সে সেই ভাবে সেই রসের আস্বাদন করিতে পারিবে |পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৯-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( ধারাবাহিক ) ( পর্ব - ৯ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) 'বসুন্ধরা' কবিতাটির একেবারে শেষে কবি লিখেছেন,পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৮-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ধারাবাহিক ( পর্ব - ৮ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা-পানে চেয়েপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৭-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (পর্ব - ৭ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) গত পর্ব দুটিতে আমরা 'সমুদ্রের প্রতি ’ ও ' অনন্ত প্রেম ’ কবিতা দুটির মধ্য দিয়ে কবিপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৬-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব - ৬ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " যত শুনি সেই অতীত কাহিনী, প্রাচীন প্রেমের ব্যথাপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৫-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা:- (পর্ব - ৫) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " বোবার ইঙ্গিত ভাষা হেনপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৪-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব ৪ ) লেখায় - শ্যামল সামন্ত " হঠাৎ সন্ধ্যায়পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৩-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব -৩ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয় ||পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ২-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব - ২ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " প্রবাসের দিন মোর পরিপূর্ণ করি দিলে নারী মাধুর্যসুধায়”পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১রবীন্দ্র-অনুরাগী হিসাবে, ওনার গানের, কবিতার, ছোট গল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে কবিগুরুকে যতটুকু অনুভব করতে পেরেছি তারই বহিপ্রকাশ হিসাবে ও কবিগুরুকে প্রণাম জানিয়ে আমার এই লেখা | -: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→সমর্পণস্বরচিত কবিতা - সমর্পণ হারাই হারাই সদা হয় ভয় তাই তো তোমারে ডাকি |পাতাটি খুলুন→To realise Swamiji’s ideasWe cannot evaluate Swamiji by just quoting some of his Vani (sayings) or by celebrating his Birth Anniversary. If we have to practically realise his Patriotism, Spirituality, idea on modern religion and Practical Vedanta, we should dive into his mind by going through his works. We can really show him respect if we shed the hatred and anger from our minds and respect all religions equally.পাতাটি খুলুন→