মূল পাতায় যান
বইয়ের তাকে ফিরুন

বিশ্বাসের ঘর

সাধনা ও দর্শন

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীশ্রীমা, বেদান্ত, আত্মজ্ঞান এবং মানুষের দুঃখ নিয়ে পাঠ ও ভাবনা।৭টি লেখা

এই বইয়ের পাতাগুলি

জন্মদিনজীবনের গতিতে জন্ম আছে, মৃত্যু আছে জানি মৃত‍্যু আছে - তবু জীবন নেচে চলে আপন ছন্দে -পাতাটি খুলুনআজ ষষ্ঠী — মা-এর বোধনসেই ছোটবেলা থেকে মহালয়ার পরদিন থেকেই শুনতে পাই ষষ্ঠীর দিন মা এর বোধন । মা কে জিজ্ঞেস করতাম 'মা বোধন কি' ? মা বলতেন ঐ পুজো শুরু করাকেই বোধন বলে , আরও কতকিছু বলে বোঝাতো, কিছু বুঝতাম কিছু বুঝতাম না । আজ বড়ো হয়ে বুঝলাম বোধন শব্দের মানে কত ব‍্যপাক কত গভীর । বোধন শব্দের অর্থ মূলত 'জাগ্রত করা' বা ‘উদ্বোধন করা' সংস্কৃত ধাতু 'বুধ' থেকে এর উৎপত্তি, যার মানে হলো জানা, জাগা বা সচেতন হওয়া । অর্থাৎ বোধন শব্দের আর এক অর্থ হলো ‘সচেতন করা' । আধ‍্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বোধন শব্দের অর্থ হলো আত্মজ্ঞান বা চেতনার জাগরণ ।পাতাটি খুলুনমানবজীবনে বেদান্ত দর্শনের প্রভাব এবং শারীরিক দুঃখ-কষ্ট নিবারণের উপায়জীবনের যে কোন অবস্থায় সমস্ত চা ওয়া-পাওয়া পরিত‍্যাগ করে ঈশ্বরের ভজনা করাই যেন আমাদের লক্ষ্য হয়ে ওঠে । বাড়ী, গাড়ি, অর্থ, মানুষের আসা-যাওয়া- সবই আছে, কিন্তু সেগুলো যদি আমি আঁকড়ে ধরি, তবে সংসারকেই আঁকড়ে ধরা হলো । তখন এই সমস্ত কিছু থেকে সৃষ্ট ফলাফল আমাকে সুখ বা দুঃখ দেবে, আমার মনে নানা ধরনের চাহিদা তৈরি করবে এবং ক্রমশই আমার মন ঈশ্বরের আরাধনা থেকে দূরে সরতে থাকবে । ঈশ্বরকে দু হাতে আঁকড়ে ধরলে , এই জগৎসংসারের কষ্ট আর আমাদের বিচলিত করে না । বেদান্তের পঞ্চদশীতে উল্লেখ আছে- ঈশ্বরসৃষ্টি আমাদের কষ্ট দেয় না, জীব সৃষ্টি আমাদের কষ্ট দেয় । ঈশ্বরসৃষ্টি কি ? এই জগৎ, এই শরীর। তাহলে এই জগতে তো কতো কষ্ট, এই শরীর তো কতো কষ্ট বা পীড়া সহ‍্য করে, তাহলে ঈশ্বরসৃষ্টি আমাদের কষ্ট দেয় না, এ কথা বলি কি করে ? বেদান্ত মতে বিচার করলে, ঈশ্বরসৃষ্ট এই জগৎ, শরীর বা বিভিন্ন শারিরীক অবস্থা সকলের জন্যই এক । রোগ-পীড়ার মধ‍্য দিয়ে সবাইকেই যেতে হয় । কিন্তু কষ্ট আসে আমাদের অজ্ঞানতা থেকে - আর এই অজ্ঞানতা থেকেই আমরা মনে করি, আমি শরীর এবং এই শরীরের কষ্ট আমারই কষ্ট। আমি মন এবং এই মনের কষ্ট আমারই কষ্ট । সেই জন‍্য শাস্ত্র বলছেন, এই জীবসৃষ্টি অর্থাৎ ‘আমি-আমরা’ রুপ অজ্ঞানজনিত কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের ঈশ্বরাভিমুখী হতেই হবে, এছাড়া আর অন‍্য কোন পথ নেই ।পাতাটি খুলুনআচার্য শঙ্কর ও মণ্ডন মিশ্রের বিতর্কভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক ইতিহাসে এক বিরল উজ্জ্বল পর্ব গাঁথা আছে — যখন এক তরুণ সন্ন্যাসী, আচার্য শঙ্কর, তার অদ্বৈতবাদের আলোক জ্বালিয়ে উত্তরে-দক্ষিণে ছড়িয়ে পড়েছিলেন, এবং মুখোমুখি হয়েছিলেন এক প্রবীণ, জ্ঞানপিপাসু গৃহস্থ পণ্ডিত — মণ্ডন মিশ্রের সান্নিধ্যে , যিনি ছিলেন পুর্ব মীমাংসা দর্শনের প্রধান পথিকৃৎ। তিনি বিশ্বাস করতেন, জীবন ও মুক্তি উভয়ই ধর্মানুষ্ঠান ও যজ্ঞকর্মের মাধ্যমে অর্জিত হয়। অন্যদিকে আচার্য শঙ্কর ছিলেন অদ্বৈত বেদান্তের ধারক, যিনি বলতেন, “ব্রহ্ম সত্য, জগত মিথ্যা, জীবে ব্রহ্ম হি ন অপরঃ” — অর্থাৎ এই জগত এক বিভ্রম, আসল সত্য একমাত্র নিরাকার ব্রহ্ম। এই দুই বিপরীত দর্শনের মুখোমুখি সংঘর্ষ তাই কেবল এক তাত্ত্বিক বিতর্ক ছিল না — এটি ছিল সত্যের এক অনুসন্ধান । বিতর্কের সূচনা :-পাতাটি খুলুন
বৃষ্টির আওয়াজবৃষ্টি যখন নামে ধীরে, মনে হয়, কেউ যেন কথা বলে - মাটির কোল ঘিরে, গাছের পাতায়, নদী ও পুকুরের জলে ।পাতাটি খুলুনশ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার যথার্থ কারণ অনুসন্ধানআমরা অনেকেই বলে থাকি পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ অবতার পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও কেন ক‍্যান্সারের মতো মারন রোগে পীড়িত হলেন ? এ ব্যাপারে অচিন্তকুমার সেনগুপ্তের লেখা পরমপুরুষ শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কিতাব হতে উদ্ধৃত লেখাটি পড়ে অনেকেরই এ ভুলটি ভেঙ্গে যাবে :~ “সব ভক্তদের মেলাবার জন্যই তো ঠাকুরের অসুখ । এক সূতোয় গাঁথবার জন্য। এক মন্ত্রে উজ্জীবিত করার জন্য। সে মন্ত্রটি কি? সে মন্ত্র সেবা ॥পাতাটি খুলুনবাবুর জন্মদিনে অন্তরঙ্গ আশীর্বাদঈশ্বরের আশীর্বাদের আলো পড়ুক তোর পথে কল‍্যাণের ফুল ফলে ভরে উঠুক তোর জীবনের রথে পরিবারের সকলের স্নেহ-সুধায় ভরে যাক তোর জীবন রসের আদ্রতাপাতাটি খুলুন