বই, পাঠ ও কথন
সাহিত্যের খাতা
পাঠ থেকে জন্ম নেওয়া প্রবন্ধ, কথন, সাহিত্যচিন্তা এবং জ্ঞান-অন্বেষণের কয়েকটি লেখা।১৮টি লেখাএই বইয়ের পাতাগুলি
কাব্যে ও সাহিত্যে নারীর মূল্যায়ন-:কাব্যে ও সাহিত্যে নারীর মূল্যায়ন :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) কাব্যে বা সাহিত্যে বিভিন্ন কবি ও সাহিত্যিক নারীকে বিভিন্ন ভাবে প্রকাশ করেছেন তাদের নিজস্ব লেখনশৈলীর জাদুকাঠি দিয়ে । কেউ প্রকাশ করেছেন মাতৃত্বের প্রতীক হিসাবে, কেউ প্রকাশ করেছেন ভগিনী রুপে , কেউ করেছেন উচ্ছল যৌবনের প্রতীক হিসাবে । বেশীর ভাগ কবি বা লেখক নারীকে প্রকাশ করেছেন তার শারীরিক সৌন্দর্যের মাত্রা দিয়ে । গুনগত বিচারে কেউ বলেছেন নারী মাতৃত্বের আধার, কেউ বলেছেন নারী স্নেহের আধার, কেউ বলেছেন নারী প্রেমের আধার, কেউ বলেছেন নারী দয়ার আধার । অন্য দিকে অনেকে আবার নারীকে ছলনাময়ী, কুটিল , পরশ্রীকাতর ও নিন্দুক হিসাবে বর্ণনা করেছেন । কালজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাব্যে নারীকে যে ভাবে বর্ণনা করেছেন তা আমরা সবাই জানি ।পাতাটি খুলুন→আন্তর্জাতিক রবীন্দ্রকাব্যপাঠ দিবস" 30 শে জুন আন্তর্জাতিক রবীন্দ্রকাব্যপাঠ দিবস " - -:- ইহার নেপথ্য কাহিনী -:- 1912 সালের শুরুর দিকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার গীতাঞ্জলি ও অন্যান্য কাব্যের ইংরাজি অনুবাদে হাত দেন ও অবশেষে তিনি মে মাসে তৃতীয় বারের মতো জাহাজে করে ইংল্যান্ডে যাত্রা করেন । 16 ই জুন 1912 তিনি সেখানে পৌঁছান এবং তার গীতাঞ্জলীর অনুবাদের একটি কপি William Rothenstien (A British painter, Printmaker, Draughtsman, Lecturer & Writer on Art ) এর হাতে তুলে দেন । Rothenstien ঐ অনুবাদের তিনটি টাইপ করা কপি ততকালীন তিন বিখ্যাত মনীষী W B Yeats ( A great Irish poet and former Senator of Irish free state ) , স্টপফোর্ড ব্রুক ও এন্ডরু ব্র্যডলি কে পাঠান । তিনজনেই রবীন্দ্রনাথের কবিতাগুলির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন । 30 শে জুন 1912 Rothenstien এর গৃহে এক বিশিষ্ট শ্রোতৃমন্ডলীর সন্মুখে W B Yeats ঐ কবিতাগুলির কয়েকটি পাঠ করে শোনান । এটাই ইংল্যান্ডের বিদ্বসমাজে কবিগুরুর প্রথম আত্মপ্রকাশ এবং চলতে থাকে অভিনন্দন, সংবর্ধনা ও শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রদান । এরপর 1st নভেম্বর 1912 প্রকাশিত হয় গীতাঞ্জলীর English version এর সীমিত সংস্করণ । প্রকাশ করেন লন্ডনের ইন্ডিয়া সোসাইটি । এরপর 1st মার্চ 1913 প্রকাশিত হয় গীতাঞ্জলীর English version এর সুলভ সংস্করণ । তার পরের ইতিহাস সবার জানা । সেই ঐতিহাসিক দিন । 12 নভেম্বর 1913 স্টকহম থেকে আসে কবিগুরুর নোবেল পুরস্কারের প্রাপ্তি সংবাদ । সুতরাং 30 শে জুন 1912 William Rothenstien এর গৃহে রবীন্দ্রকাব্য পাঠের যে অনুষ্ঠান সংগঠিত হয়েছিল এবং এটাই যে কবিগুরুর নোবেল প্রাপ্তির প্রথম পদক্ষেপ, তাই এই ঘটনাটিকে মনে রাখার জন্য Tagore Research Institute প্রতি বৎসর 30 শে জুন দিনটিকে " আন্তর্জাতিক রবীন্দ্রকাব্যপাঠ দিবস" হিসাবে পালন করে আসছে ।পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা অন্তিম পর্ব-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( অন্তিম পর্ব ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্যায় - প্রেম )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১৫-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (পর্ব - ১৫ ) (লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) ( পর্যায় - প্রেম )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১৪-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক)। (পর্ব - ১৪ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) এর আগের ৩টি পর্বে আমি পূজা পর্যায়ের ৩টি গান নিয়ে আলোচনা করেছি । রবীন্দ্রনাথের পূজা পর্যায়ের গান নিয়ে আলোচনা করা বা তার মধ্য থেকে আধ্যাত্মিক তত্ত্বের রস নিষ্কাষণ করে কাউকে বোঝান আমার উদ্দেশ্য নয় । যে যেরকম মনোভাবাপন্ন সে সেই ভাবেই এক একটি গানকে অনুভব করবে এবং বুঝবে । এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু যাহারা রবীন্দ্র কাব্য বা সাহিত্যের যথার্থ অনুরাগী এবং আধ্যাত্মিক মনোভাবাপন্ন, তাহাদের কাছে প্রতিটি পূজা পর্যায়ের গানই এক একটি পূজার অর্ঘ্য স্বরুপ যা তাহারা শোনা মাত্রই পরমেশ্বরের কাছে নিবেদন করে থাকে এবং ভক্তি রসের মধ্যে ডুবে যায় ।পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১৩-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক ) (পর্ব - ১৩) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) পূজা পর্যায় - (গান সংখ্যা -৩ )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১২-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক ) ( পর্ব - ১২ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) পূজা পর্যায় - (গান সংখ্যা - ২ )পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১১-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবাহিক) ( পর্ব - ১১ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) এবার আমরা কয়েকটা পূজা পর্যায়ের গান নিয়ে আলোচনা করে বুঝবার চেষ্টা করবো কিভাবে এই গান গুলি আমাদের আধ্যাত্মিক পথের সিঁড়ি হিসাবে কাজ করে :-পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১০-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (ধারাবহিক) ( পর্ব - ১০ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) এতোদিন আমরা রবীন্দ্রনাথের কিছু কবিতা নিয়ে আলোচনা করেছি | আমি পাঠকগনকে বুঝাবার চেষ্টা করেছি, যে রবীন্দ্রনাথের কবিতার মধ্যে কিভাবে একটা আধ্যাত্মিকতার বীজ লুকানো আছে, সেটা প্রত্যক্ষ ভাবেই হোক বা পরোক্ষ ভাবেই হোক | কোন ও কবিতা পড়ে যদি আমরা চিন্তার গভীরে প্রবেশ না করতে পারি তবে সেই আধ্যাত্মিক দার্শনিকতার গন্ধ অনুভব করতে পারবো না | এটা যে যেমন পাঠক সে সেই ভাবে সেই রসের আস্বাদন করিতে পারিবে |পাতাটি খুলুন→
রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৯-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( ধারাবাহিক ) ( পর্ব - ৯ ) ( কলমে - শ্যামল সামন্ত ) 'বসুন্ধরা' কবিতাটির একেবারে শেষে কবি লিখেছেন,পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৮-: রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ধারাবাহিক ( পর্ব - ৮ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা-পানে চেয়েপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৭-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- (পর্ব - ৭ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) গত পর্ব দুটিতে আমরা 'সমুদ্রের প্রতি ’ ও ' অনন্ত প্রেম ’ কবিতা দুটির মধ্য দিয়ে কবিপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৬-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব - ৬ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " যত শুনি সেই অতীত কাহিনী, প্রাচীন প্রেমের ব্যথাপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৫-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা:- (পর্ব - ৫) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " বোবার ইঙ্গিত ভাষা হেনপাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৪-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব ৪ ) লেখায় - শ্যামল সামন্ত " হঠাৎ সন্ধ্যায়পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ৩-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব -৩ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয় ||পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ২-: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( পর্ব - ২ ) ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত ) " প্রবাসের দিন মোর পরিপূর্ণ করি দিলে নারী মাধুর্যসুধায়”পাতাটি খুলুন→রবীন্দ্রকাব্যে আধ্যাত্মিকতা পর্ব ১রবীন্দ্র-অনুরাগী হিসাবে, ওনার গানের, কবিতার, ছোট গল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে কবিগুরুকে যতটুকু অনুভব করতে পেরেছি তারই বহিপ্রকাশ হিসাবে ও কবিগুরুকে প্রণাম জানিয়ে আমার এই লেখা | -: রবীন্দ্র কাব্যে আধ্যাত্মিকতা :- ( লেখায় - শ্যামল সামন্ত )পাতাটি খুলুন→